কালীগঞ্জ গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
কালীগঞ্জে বাহাদুর শাদী ইউনিয়নের যুবদল এবং বিএনপি নেতা কর্মীদের উপর জামায়াত ইসলামী এবং তার সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে বাহাদুর শাদি ইউনিয়নের খাজা মার্কেট এলাকায় এই নেককার জনক ঘটনাটির সূত্রপাত হয়।
বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি তারাবির নামাজ চলাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের কিছু দুষ্ট নেতাকর্মীদের সার্বিক সাহায্য সহযোগিতায় বাহাদুর শাদী ইউনিয়ন জামাতের নেতা কর্মীরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে এই নেককার জনক ঘটনাটি ঘটায়। এতে বাহাদুর শাদি ইউনিয়ন যুবদল নেতা আপেল, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নজরুল মোল্লা সহ বিএনপি’র বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী মারাত্মক ভাবে আহত এবং যখম হয়। আহত নেতাকর্মীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার জন্য কালীগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান তারাবির নামাজ চলাকালীন সময়ে উত্তর এবং দক্ষিণ দিক থেকে জামাতের নেতাকর্মী সহ বহিরাগত কিছু লোকজন বিএনপি নেতা কর্মীদের উপর চড়াও হয় এবং অতর্কিত হামলা চালায়। ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং রাত প্রায় বারোটা ত্রিশ মিনিটের সময় একটি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয়, উক্ত সংবাদ সম্মেলনে নেতাকর্মীরা তাদের নিজ নিজ বক্তব্য প্রদান করেন এবং এই জঘন্যতম কাজের তীব্র নিন্দা জানান।
এ সময় কালীগঞ্জ থানা পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুটি মোটর সাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
এই ব্যাপারে মুঠোফোনে জামাতের আমির মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। শনিবার দিন উভয় দলের সকলকে একসাথে নিয়ে বসে ঘরোয়া ভাবে আমরা এর একটা মীমাংসা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাহাদুর শাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন শেখ, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাসুম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান বাবু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক মোজাম্মেল হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাকির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সঞ্জিত কুমার ভুট্টু, উপজেলা যুবদলের সদস্য আলী হোসেন, নাজমুল সরকার নাজু সাধারণ সম্পাদক ১ নং ওয়ার্ড বিএনপি, মোঃ নাদিম সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর শাদী ইউনিয়ন ছাত্রদল সহ মোহাম্মদ নূরী, আমজাদ হোসেন, ডালিম, মাসুদ এবং আরো অনেক স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।