এফ এম কামাল হোসেন, কাপাসিয়া (গাজীপুর) :
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার গভীর রাতে কে বা কারা আগুন দিয়ে বসতঘরের আসবাবপত্র, মূল্যবান দলিলপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে ছাই করে দেয়। এতে প্রায় দশ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি। রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বসতঘরে আগুন দেয়ার সময় বাড়িতে কেউ ছিলো না।
অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সহযোগিতা করেন। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যাবার আগেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে সোমবার বিকালে গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান, সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা, বিএনপি নেতা এম এ হাসেম চৌধুরী, আফজাল হোসাইন, কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য এফ এম কামাল হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসী, কাপাসিয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ সেলিম হোসেন আরজু, তরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহাগ মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহাগ, দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোলায়মান মোল্লা, বারিষাব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাওলানা কফিল উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ ফরিদ শেখ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এসময় দলীয় নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, সিরাজুল ইসলাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এবং তার সহধর্মিণী তানিয়া আক্তার উপজেলা মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তরগাঁও ইউনিয়ন মহিলা দলের সভাপতি। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী আন্দোলনে তারা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। এর আগে গত এক সপ্তাহ আগে উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানার বাড়িতে দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে আগুন দিয়ে সবকিছু পুড়ে ছাই করে দেয়। তার পর পরই উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরিদুল আলম বুলুর বাড়িতে দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে। এসব পরিকল্পিত ঘটনা। পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসরদের কর্মকাণ্ড। সরকারের সফলতা বা অর্জনকে ম্লান করে দেয়ার জন্যই একটি গোষ্ঠী উঠেপড়ে লেগেছে। বিএনপি নেতৃবৃন্দ এঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।