নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলা সাহিত্যে ও চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ওয়ার্ল্ড জার্নালিস্টস ক্লাব ( World Journalists Club) এর “মরণোত্তর স্বাধীনতা সম্মাননা-২০২৫” এ মনোনীত হয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার জহির রায়হান –
জহির রায়হান ( মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ খান) ১৯৩৫ সালের ১৯ আগষ্ট ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের মজুপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতার নাম মাওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, তিনি কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক ছিলেন।পরবর্তীতে তিনি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হয়েছিলেন।বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রবাদ পুরুষ জহির রায়হান।
জহির রায়হান ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।১৯৬৬ সালে সে সময়কার জনপ্রিয় ও বিখ্যাত চলচ্ছিত্র অভিনেত্রী সুমিতা দেবী তাঁর ঘরে বিপুল রায়হান ও অনল রায়হান পরে সেরা অভিনেত্রী সুচন্দা কে বিয়ে করেন।তার সন্তান – তপু রায়হান ও আরাফাত রায়হান। তারা প্রতিষ্ঠিত নাট্য নির্মাতা।
জহির রায়হান সরকার কর্তৃক( একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার) প্রদত্ত সাহিত্য পুরস্কার এবং চলচ্চিত্র পুরস্কার ( মরণোত্তর) পেয়েছেন।তার লেখা অনেক গুলো উপন্যাস ও গল্পগ্রন্হ রয়েছে।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপন্যাস : শেষ বিকেলের মেয়ে এবং হাজার বছর ধরেও আরেক ফাল্গুন।চলচ্চিত্র : কখনো আসেনি,কাঁচের দেয়াল,বেহুলা, আনোয়ারা,জীবন থেকে নেয়া এবং স্টপ জেনোসাইড। স্টপ জেনোসাইড – প্রামাণ্যচিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে তিনি প্রশংসিত হয়েছিলেন।
৩০ জানুয়ারী ১৯৭২ সালের সকালে অপর প্রান্ত থেকে একটা ফোন আসে, বড় ভাই শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার ১২ মিরপুর বিহারী পল্লীতে আছে ৯:৩০ মিনিটে ২৯ গাঙ্গুলী রোড কায়েতটুলী থেকে বের হয়ে মিরপুর ১২ বিহারি পল্লীতে যান এবং এর পরে নিখোঁজ হন।
ওয়ার্ল্ড জার্নালিস্টস ক্লাবের আহবায়ক ইকবাল আলমগীর বলেন- বাংলা সাহিত্যে ও চলচ্চিত্রে জহির রায়হান এর অবদানের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানোর জন্য উনাকে মরণোত্তর সম্মননায় মনোনীত করা হয়েছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রবাদ পুরুষ জহির রায়হান কে মরণোত্তর সম্মাননা দিতে পেরে আমরা গর্বিত।আগামী ৯ এপ্রিল বুধবার বিকেল ৪ টায়,জহুর হোসেন চৌধুরী হল, জাতীয় প্রেস ক্লাব,ঢাকায় বণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কারে ভূষিত করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে ছেলে তপু রায়হান পুরস্কার গ্রহন করবেন।