শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo মাধবপুরের কালিকাপুর-নোয়াগাঁও সমাজকল্যাণ যুব সংগঠনের উদ্যোগে মাদকমুক্ত সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo কাপাসিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo চাঁনশিকারী সীমান্তে বিজিবি’র সফল অভিযান ৩ চোরাকারবারি আটক, ১২৪ বোতল মাদক ও ইজিবাইক জব্দ Logo কাপাসিয়ায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু Logo সীমান্তে ২৮ বাংলাদেশিকে ‘পুশ-ইন’ করল বিএসএফ Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পথচারীদের পানি, ছাতা ও হাতপাখা বিতরণ Logo সিলেট-চারখাই- শেওলা স্থলবন্দর চার লেন মহাসড়ক প্রকল্পের ব্যয় কমেছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা Logo কাপাসিয়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম সাহাদাত বার্ষিকী পালিত Logo কাপাসিয়ায় পোল্ট্রি ফার্মে বিষ প্রয়োগে সাড়ে তিনশো মুরগী হত্যা Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জ হরিমোহন স্কুলে মাদকবিরোধী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত
নোটিশঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুণঃ 01735936753 *** বিঃ দ্রঃ  দেশের সকল জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে,আগ্রহীগন সিভি পাঠানঃ muktobartaprotidin@gmail.com এবং 01735936753 ( whatsapp ) ## নোটিশঃ "আজমেরী সরিষার তৈল" ঘাগটিয়া চালা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর (পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয়) মোবাঃ  01723219808

বাগেরহাটের মানবতাবিরোধী সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ৪৮০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৩, ৬:০৪ পূর্বাহ্ন

ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে বাগেরহাটের সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক  অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) এ রায় দেন। এ মামলায় প্রসিকিউটর ছিলেন রানা দাশ গুপ্ত ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।   গত ৯ নভেম্বর নয় আসামির বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু পলাতক দুই আসামির মৃত্যুর খবর আসায় তা পেছানো হয়েছিল। ওই দুজন হলেন, সুলতান আলী খান ও মনিরুজ্জামান হাওলাদার। সেটি নিশ্চিত হওয়ার পর রায়ের জন্য বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দিন ঠিক করা হয়।

সাত আসামির মধ্যে তিনজন কারাবন্দি। তারা হলেন, খান আকরাম হোসেন, শেখ মো. উকিল উদ্দিন ও মো. মকবুল মোল্লা।

আর পলাতক চারজন হলেন, খান আশরাফ আলী, রুস্তম আলী মোল্লা, শেখ ইদ্রিস ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল।

আসামিদের বিরুদ্ধে সাত অভিযোগ
এক নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ২৬ মে ১৫/২০ জন রাজাকার ও ২৫/৩০ জন পাকিস্তান দখলদার সেনাবাহিনীর সদস্যসহ বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানাধীন চাপড়ী ও তেলিগাতীতে নিরীহ নিরস্ত্র মুক্তিকামী মানুষদের ওপর অবৈধভাবে হামলা চালিয়ে ৪০/৫০টি বাড়ির সমস্ত মালামাল লুণ্ঠন করে, বাড়িঘর অগ্নিসংযোগে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে, দুইজন নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করে এবং ১০ জন নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের মানুষকে গুলি করে হত্যা করে।

দুই নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ৭ জুলাই আসামিরা বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন হাজরাখালী ও বৈখালী রামনগরে হামলা চালিয়ে অবৈধভাবে নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের চারজন লোককে আটক ও অপহরণ করে আবাদের খালের ব্রিজে হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেয়।

তিন নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৩ নভেম্বর বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানাধীন ঢুলিগাতী গ্রামে হামলা চালিয়ে দুইজন নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাকে অবৈধ আটক, নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা করে।

চার নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৭ নভেস্বর বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন বিলকুল ও বিছট গ্রামে হামলা চালিয়ে চারজন নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের লোককে আটক ও অপহরণ করে কাঠালতলা ব্রিজে এনে নির্যাতন করার পর গুলি করে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।

পাঁচ নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন বিলকুল গ্রাম থেকে নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আলী নকীবকে অন্যায় আটক ও অপহরণ করে মোড়লগঞ্জ থানার দৈবজ্ঞহাটির গরুর হাটির ব্রিজের উপরে নিয়ে নির্যাতন করার পর গুলি করে হত্যা করে।

ছয় নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৬ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন উদানখালী গ্রামে হামলা চালিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের নিরীহ নিরস্ত্র উকিল উদ্দিন মাঝিকে অবৈধভাবে আটক করে হত্যা করে এবং তার মেয়ে তাসলিমাকে অবৈধভাবে আটক ও অপহরণ করে কচুয়া রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে আসে।  কচুয়া রাজাকার ক্যাম্প ও আশেপাশের রাজাকার ক্যাম্পে দীর্ঘদিন অবৈধভাবে সলিমাসহ চারজনকে আটকিয়ে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ১৬ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ দখলদারমুক্ত হলে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার ক্যাম্প তল্লাশি করে ভিকটিম তাসলিমাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেন।

সাত নম্বর অভিযোগ: বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন গজালিয়া বাজারে হামলা চালিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরীহ নিরস্ত্র শ্রীধাম কর্মকার ও তার স্ত্রী কমলা রানী কর্মকারকে অবৈধভাবে আটক করে নির্যাতন করতে থাকে। আসামিরা শ্রীধাম কর্মকারকে হত্যা করে কমলা রানী কর্মকারকে জোরপূবক অপহরণ করে কচুয়া রাজাকার ক্যাম্পে এনে আটকিয়ে রাখে। উল্লিখিত আসামিসহ কচুয়া রাজাকার ক্যাম্প ও আশেপাশের রাজাকার ক্যাম্পে কমলা রানী কর্মকারসহ আটককৃত অন্যান্য চারজনকে দীর্ঘদিন রাজাকার ক্যাম্পে আটকিয়ে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। প্রায় এক মাস শারীরিক নির্যাতনের পর কমলা রানী কর্মকার অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST