মোরশেদুল আলম। (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কেরানীহাট ও কেরানীহাট-বান্দরবান সড়ক মোড় এলাকায় আজ বুধবার সেনা-পুলিশ-প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ভেস্তে গেল ৩০০-৪০০ দোকান। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এই উচ্ছেদে ফুটপাত ও সড়কের পাশ দখল করে গড়ে তোলা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা ভাঙচুর করে প্রশাসন। তবে ধুলো-মাটি চাপা পড়েছে হাজারো পরিবারের ক্ষুধার জ্বালা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল করে চলা অবৈধ দোকানগুলো যানজট ও পথচারীদের চলাচলে বাধার সৃষ্টি করছিল। গত শনিবার প্রথম ধাপে শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদের পর আজ চূড়ান্ত অভিযান চালায় প্রশাসন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারিস্তা করিমের নেতৃত্বে উচ্ছেদে অংশ নেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মো. পারভেজ ও দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম।
কিন্তু উচ্ছেদের গুঁড়োয়ালে ঢাকা পড়েছে হকারদের জীবন-জীবিকার তীব্র সংকট। “প্রতিটি দোকানের পেছনে গড়ে ৪-৫ সদস্যের পরিবার। অর্থাৎ অন্তত ১,৫০০ মানুষ আজ রাতের খাবারের অনিশ্চয়তায়। এদের ৮০% দিনে আনে দিনে খায়।”
“হকারদের পুনর্বাসন ছাড়া এই অভিযান অসম্পূর্ণ বলে মনে করছি “সড়ক অবমুক্তকরণ আইনানুগ পদক্ষেপ। তবে মানবিক দিকটি আমলে নিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা খোঁজা ও দরকার।
এখনই প্রয়োজন সমন্বিত পুনর্বাসন নীতি। নইলে রাস্তা ফাঁকা হলেও খালি পেট নিয়ে বসবাসকারী এই শত শত পরিবারের ভবিষ্যৎ থেকে যাবে অন্ধকারে।