বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo মনোহরদীতে ৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত Logo ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার কোম্পানি মামলায় জামিনপ্রাপ্তদের ফুলেল সংবর্ধনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি Logo রূপগঞ্জে ১৭ বছর ধরে অবহেলিত সড়ক, নিজ অর্থায়নে ৫০০ মিটার সংস্কার করলেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী Logo রামগতি-কমলনগরের মেঘনায় ইলিশের খরা, সংকটে হাজারো জেলে পরিবার Logo ঘাটাইলে পুলিশের অভিযানে ৩ মাদকসেবী গ্রেফতার, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড Logo উন্নয়ন বঞ্চিত মাধবপুরের বাঘাসুরা ইউনিয়ন: বর্ষায় কাদার রাস্তায় চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ‎ Logo রূপগঞ্জে অবৈধ ডাম্প ট্রাকের দৌরাত্ম্য, সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত ও জনদুর্ভোগ চরমে Logo রাণীশংকৈলে স্ত্রী ডিভোর্স দেওয়ায় ইউপি সদস্য স্বামীর ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যা Logo রুপগঞ্জে সিলেট মহাসড়কে উড়ে কোটি টাকার চাঁদা, ভুলতা-গাউছিয়ায় থামছে না ফুটপাত দখল
নোটিশঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুণঃ 01735936753 *** বিঃ দ্রঃ  দেশের সকল জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে,আগ্রহীগন সিভি পাঠানঃ muktobartaprotidin@gmail.com এবং 01735936753 ( whatsapp ) ## নোটিশঃ "আজমেরী সরিষার তৈল" ঘাগটিয়া চালা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর (পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয়) মোবাঃ  01723219808

কাপাসিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে গোয়ালঘরে আগুন : লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

Reporter Name / ৮৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ন

এফ এম কামাল হোসেন, কাপাসিয়া (গাজীপুর) :

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় জায়গাজমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে আপন বোনের গোয়ালঘরে আগুন দিয়েছে যুবলীগ নেতা বড়ভাই আ. ছালাম (৪৭)। এতে পুড়ে ছাই হয়ে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে রোববার কাপাসিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আছমা আক্তার (৪৪) উপজেলা সদর ইউনিয়নের সূর্য নারায়ণপুর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের জৈষ্ঠ কন্যা। তিনি এবং তার স্বামী রফিকুল ইসলাম বুধবার সন্ধ্যায় কাপাসিয়া প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে জানান, পিতা- মাতার ঔরষে ছোটবোন ফাতেমা আক্তার, বড়ভাই আ. ছালাম এবং ছোটভাই হাবিবুর রহমান ওয়ারিশ হিসাবে রয়েছেন। বিগত ১৯৯৯ সালে পারিবারিক ভাবে পিতা মাতা তাকে পার্শ্ববর্তী গ্রামে বিয়ে দেন। পরবর্তীতে ২০০২ সালে পিতা মাতা এবং ভাই-বোনদের ইচ্ছায় পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসতঘর নির্মাণ করে স্বামী সন্তান নিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছেন। কিছুদিন যেতে না যেতেই বড়ভাই স্থানীয় ৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আ. ছালাম, তার স্ত্রী রেহেনা বেগম (৪২) এবং তাদের ছেলে সোহানুর ইসলাম রাব্বি (১৭) ঘোরতরভাবে শত্রুতা শুরু করে। তাদের অসুস্থ পিতা-মাতাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজের জিম্মায় রেখে ইচ্ছে মতো জায়গাজমি লিখে নিচ্ছেন। তৎকালীন আওয়ামীলীগের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে একতরফাভাবে পুরো পরিবারকে নিয়ন্ত্রণ করে রাখেন। বোনেরা এসবের প্রতিবাদ করে বিবাদীদের দ্বারা নানা ভাবে হয়রানির শিকার হয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতা কামনা করেন।

একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাদের বিরোধ নিরসনে গত ৮ মে সকালে স্থানীয় মসজিদ মাঠে এক শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওইদিন সকালে ছোট বোন ফাতেমা আক্তার বড়ভাই আ. ছালামকে শালিস বৈঠকের কথা বলে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেন। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের প্রাণ নাশের হুমকি এবং সুযোগ পেলে বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার কথা বলে তাকে তাড়িয়ে দেয়।
আছমা আক্তার অভিযোগে জানান, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্ধারিত শালিস বৈঠকে বড়ভাই উপস্থিত হয়নি। বরং ওই রাতেই তাদের জীবনে মেরে ফেলার জন্য প্রথমে গোয়ালঘরে আগুন দেয় এবং পরে তাদের বসতঘরে আগুন দেয়ার প্রস্তুতি নেয়। ওই সময় আশপাশের লোকজনের ডাক চিৎকারে ঘুম থেকে জেগে দেখেন উল্লেখিত ব্যক্তিরা দৌড়ে বাড়ির পূর্ব দিকে চলে যাচ্ছে। রাত অনুমান সোয়া ১১ টার দিকে তাদের বসতঘর সংলগ্ন উত্তর পাশে আধা পাকা টিনসেড দো’চালা ঘরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে মূহুর্তের মাঝে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরক্ষনেই তাদের অবস্থানরত পশ্চিম ভিটি টিনসেড বিল্ডিং ঘরের পূর্ব দক্ষিণ পাশের টিনের ছাপড়াযুক্ত গাড়ির গ্যারেজে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়ার সময় তারা টের পেয়ে যান। তৎক্ষণাৎ তারা টর্চ লাইট এবং গোয়ালঘরে আগুনের আলোতে উল্লেখিত বিবাদীদের দেখতে পান। আগুনে পুড়ে এক লাখ ১০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তাদের দাবি।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে তাদের জীবনের নিরাপত্তায় জোর দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের কাছে তাদের দাবি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আছমা আক্তারের অভিযোগের বিষয়ে বড়ভাই আ: ছালাম জানান, আমাদের পিতা-মাতা এখনো জীবিত আছেন। দীর্ঘদিন যাবত পিতা অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে আছেন। একই মায়ের সন্তান হিসাবে প্রত্যেকের দায়বদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু তাদের অসুস্থতার কোনো খোঁজখবর বোনেরা রাখেন না। তাদের অবর্তমানে সন্তানরাই হিস্যা অনুযায়ী সকল সম্পত্তির ভাগ পাবে। ছোটবোন আছমা আক্তার ইতিপূর্বে প্রায় এক বিঘা সম্পত্তিতে বাড়ি বানিয়ে নির্বিঘ্নে বসবাস করছে। পিতা- মাতাকে রাজি খুশি করে বাকি অংশ নিলে ভাইয়ের কোনো প্রকার আপত্তি নেই বলে তিনি জানান। বোনের গোয়ালঘরে আগুন দেয়ার অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি বোনের বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে বসবাস করি। ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য অন্যের প্ররোচনায় বোনেরা ষড়যন্ত্র করছে। তিনি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত দাবি করেন।
এব্যাপারে থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান জানান, আছমা আক্তারের অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ভাই-বোনদের মাঝে জায়গাজমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে। সেগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST