শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo রূপগঞ্জের হাটাব চাঁদের টেক গ্রামের হাবিবার বিরুদ্ধে আদালতের হাজিরার নির্দেশ Logo কেন্দ্রীয় নির্দেশে টঙ্গী পশ্চিম থানা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনর্বহাল খোকন মিয়া Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo তালিমুল কুরয়ান কালমেঘ জান্নাতবাগ মাদ্রাসায় ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত Logo কাপাসিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের পেট্রোল বোমা হামলা Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে জামায়াতের মানববন্ধন, ডিসির কাছে স্মারকলিপি Logo কাপাসিয়ায় বিএনপির উদ্যোগে ২০২৪ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও বীরদের সম্মাননা প্রদান Logo চারান উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন, এডহক কমিটির পরিচিতি অনুষ্ঠিত Logo রাণীশংকৈল বন্য প্রাণীর আক্রমণে দশজন আহত এলাকাবাসী আতঙ্কগ্রস্ত 
নোটিশঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুণঃ 01735936753 *** বিঃ দ্রঃ  দেশের সকল জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে,আগ্রহীগন সিভি পাঠানঃ muktobartaprotidin@gmail.com এবং 01735936753 ( whatsapp ) ## নোটিশঃ "আজমেরী সরিষার তৈল" ঘাগটিয়া চালা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর (পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয়) মোবাঃ  01723219808

কমলনগরে প্রাথমিক শিক্ষকদের দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মসূচী পালন

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫, ৮:৫৬ অপরাহ্ন

মোঃ নুর হোসেন,কমলনগর প্রতিনিধি:

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের ডাকে সারাদেশের ন্যায় কমলনগর  উপজেলার ৬৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪শতাধিক সহকারী শিক্ষক সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ১ঘন্টা কর্ম বিরতি পালন করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল থেকে কমলনগর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এ কর্ম বিরতি পালন করা হয়।

জানা যায়, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের ব্যানার এ কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে সহকারী শিক্ষকরা।

১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণসহ তিন দফা দাবিতে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা টানা কর্মবিরতি পালন করার ঘোষণা দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচি মোতাবেক ৫মে থেকে ১৫মে পর্যন্ত ১ঘন্টা, ১৬মে থেকে ২৫মে পর্যন্ত ২ঘন্টা, ২৬মে থেকে পূর্ণ দিবস। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্ম বিরতি কর্মসূচি চলবে।

এবিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কমলনগর উপজেলা শাখার  যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ ইউনুছ বলেন, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উচ্চ শিক্ষা নিয়ে যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু সরকার শিক্ষকদের প্রাপ্য মর্যাদা দিচ্ছে না। আমাদের দাবি ১০গ্রেড ছিল। দেশের সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমরা ১১তম গ্রেড দাবি করছি। ২০০৯ সালে সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। ১৬বছরের মধ্যে আর কোন পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। দেশের মোট বিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধেক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য থাকার পরও পদোন্নতি দিচ্ছেন না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করা হচ্ছে। একজন শিক্ষক ২৫/৩০বছর চাকুরী করার পরও পদোন্নতি পাচ্ছেন না। একই পদে থেকে অবসরে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, অন্যদিকে ২০১৫ সালের জাতীয় পে-স্কেলের নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে একজন সরকারি চাকুরীজীবী ১০বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার কথা। কিন্তু শিক্ষকদেরকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এভাবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করা কোন ভাবেই সম্ভব হবে না। প্রধান উপদেষ্টার নিকট এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য জোর দাবি জানাই।

উপজেলা শিক্ষক সমিতির নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, ন্যায্য দাবি আদায়ে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি পালনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আজ ১ ঘণ্টা কর্মবিরতি লক্ষ্মীপুর জেলা তথা আমাদের কমলনগরে যথাযথ ভাবে পালন করা হয়েছে। সে জন্য উপজেলার সহকারী শিক্ষকবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এবং আগামী দিনগুলোতে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানাই।

সহকারী শিক্ষক ফারজানা আক্তার পলি বলেন, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ঐক্য পরিষদের উত্থাপিত দাবি শুধু শিক্ষকদের অধিকার নয়, এটি দেশের শিক্ষার ভিত্তিকে সুদৃঢ় করার প্রশ্ন। সহকারী শিক্ষকরা আজও ১১তম গ্রেডের নিচে বেতন পেয়ে থাকেন, যেখানে তাঁদের কাজের পরিধি ও দায়-দায়িত্ব মূল শিক্ষকদের সমতুল্য। যোগদানের দুই যুগ পার হলেও অধিকাংশ শিক্ষক আজও পদোন্নতির সুযোগ পাননি। এতে পেশাগত উৎকর্ষ ব্যাহত হচ্ছে, শিক্ষার মান উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ঐক্য পরিষদ থেকে আমরা যে দাবিগুলো তুলেছি—যেমন: ১১তম গ্রেডে বেতন স্কেল,উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তিতে জটিলতা নিরসন ও প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ দ্রুত পদোন্নতি। এই চাওয়া কোনো বিলাসিতা নয়, বরং ন্যায্য অধিকার। সরকারের উচিত অবিলম্বে এই যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষকদের মধ্যে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা এবং প্রাথমিক শিক্ষার ভিতকে আরও শক্তিশালী করা।”

সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হচ্ছে: সরকারের গঠিত কনসালটেশন কমিটির সুপারিশের যৌক্তিক সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ। ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন। প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি প্রদান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST