আশিকুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার:
“রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় দুঃখ হলো— এখানে টাকা আর তেলবাজির মূল্য বেশি, কিন্তু ত্যাগ, শ্রম, ন্যায়নীতি ও সততার কোনো দাম নেই।”
সম্প্রতি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনী জাইমা রহমানের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রাজনীতির এ বাস্তবতার ভেতরেও কি সততা ও নীতির রাজনীতি সম্ভব— এই প্রশ্ন এখন অনেকের মুখে। আর এই প্রশ্নের জবাবে গাজীপুর-৬ আসনে আলোচনায় এসেছেন বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আরিফ হোসেন হাওলাদার।
আরিফ হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দলের দুঃসময়ে মামলা, জেল, হয়রানি ও শারীরিক নিপীড়নের মুখেও তিনি সক্রিয় থেকেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান। গাজীপুরের রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি কর্মীদের পাশে ছিলেন এবং এখনও আছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের ভাষ্য, আরিফ হাওলাদার কখনও ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং নিঃস্বার্থভাবে রাজনীতি করেছেন। তাঁর সঙ্গে সাধারণ মানুষের সহজ যোগাযোগ রয়েছে; ধনী-গরীব, ছোট-বড়— সবার কাছেই তিনি সমানভাবে গ্রহণযোগ্য।
গাজীপুর-৬ আসনের ভোটারদের একাংশ মনে করছেন, অর্থ ও ক্ষমতার রাজনীতির ভিড়ে আরিফ হাওলাদার একজন পরীক্ষিত মাঠের কর্মী হিসেবে বিকল্প নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন। তবে চূড়ান্তভাবে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে— তারা কি সততা ও নীতির রাজনীতিকে মূল্যায়ন করতে চান, নাকি প্রচলিত ক্ষমতার রাজনীতিকেই বেছে নেবেন।