বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo কালিহাতীতে ইয়াবাসহ দুই ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রেপ্তার Logo কাপাসিয়ায় জাতীয় কবি কাজী ‘নজরুল বর্ষে’র সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ মাসে ৭০ আত্মহত্যা, পরিবার-সমাজকে সচেতন হওয়ার আহ্বান পুলিশের Logo মনোহরদীতে নতুন ইউএনওকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার শুভেচ্ছা Logo কাপাসিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ ২০জন গ্রেফতার Logo খেলাধুলায় উৎসাহ বাড়াতে কালিহাতীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরন Logo সিলেটে এসে রাষ্ট্রপতি শাহজালালের (র.) মাজার জিয়ারত করলেন Logo কাপাসিয়ায় আওয়ামীলীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগসহ ৮ জন গ্রেফতার Logo পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৫ Logo কালিহাতীতে ছয় মাস ধরে পানিতে ডুবে সড়ক, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী
নোটিশঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুণঃ 01735936753 *** বিঃ দ্রঃ  দেশের সকল জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে,আগ্রহীগন সিভি পাঠানঃ muktobartaprotidin@gmail.com এবং 01735936753 ( whatsapp ) ## নোটিশঃ "আজমেরী সরিষার তৈল" ঘাগটিয়া চালা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর (পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয়) মোবাঃ  01723219808

সীমান্তে ফেলানী হত্যার বিচার, ১৪ বছর ঝুলন্ত ভারতীয় আদালতে

Reporter Name / ২০২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৫, ৯:৫৯ অপরাহ্ন

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

আমার নিরপরাধ কিশোরী মেয়েটাকে পাখির মত গুলিকরে মারলো। মৃত্যু যন্ত্রণায় শুধু পানি পানি করে চিৎকার করছিল। এক ফোঁটা পানিও তারা দেয়নি। তার লাশ কাঁটাতারে উলটো ঝুলিয়ে রাখছিলো। ১৪ বছর আগের প্রকাশ্য এ নির্মম হত্যাকান্ডের বিচার এখনো ঝুলিয়ে আছে ভারতের আদালতে। বিচার প্রকৃয়া সম্পুর্ন হতে আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে! নতুন সরকারের কাছে এমনটাই প্রশ্ন ফেলানীর বাবা-মা এবং স্হানীয়দের।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বাবার সাথে কাটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন। ঘটনার দুই বছর পর ২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ কোর্টে শুরু হয় এ হত্যাকাণ্ডের বিচার। ফেলানীর বাবা ও মামার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে খালাস দেওয়া হয়। রায় প্রত্যাখান করে পুনরায় বিচার দাবির পর দ্বিতীয় দফায় তাকে খালাস দেওয়া হয়। পরে ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ ফেলানীর বাবার পক্ষে দেশটির সুপ্রীম কোর্টে রিট পিটিশন করে। এরপর বারবার শুনানির তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করা হলেও রহস্যজনক ভাবে বিচার প্রকৃয়া বন্ধ রয়েছে। মেয়ে হত্যার বিচার না পাওয়ার বিষয়ে বিগত সরকারের অবহেলাকে দায়ী করলেন ফেলানীর বাবা-মা ও স্বজনরা।

ফেলানীর বাবা নূরুল ইসলাম বলেন, ফেলানী হত্যার ১৪ বছর হলেও এখন পর্যন্ত বিচার পাই নাই। ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টে গেলাম, কয়েকবার শুনানির তারিখ দিলেও তা পিছিয়ে গেছে। আমার মেয়ে ফেলানী হত্যাকারীর বিচার মরার আগে দেখে যেতে চাই।’ফেলানীর মা জাহানারা বেগম বলেন, নতুন সরকারের কাছে আমার একটাই দাবি, বিচারটা যাতে আন্তর্জাতিক আদালতে হয়।’
বাদীপক্ষের আইনজীবী এস. এম. আব্রাহাম লিংকন বলেন, ‘ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে যে আবেদনটা করা হয়েছে, যে রিটটি রয়েছে, সেটি নিষ্পত্তি হলে শুধু যে ন্যায়বিচারই হবে, তা নয়। আমি মনে করি ভবিষ্যতে আমাদের বর্ডার ম্যানেজমেন্টসহ, খুন-খারাবি কমে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST